01730-587470
fpfaibd@gmail.com
বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোড, জনগনের দোরগোড়ায় কারিগরি শিক্ষা সেবা পৌছে দেবার লক্ষে যাবতীয় কার্যাদী সম্পাদনে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে দেশ ও বিদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন অ্যাডভান্সড সার্টিফিকেট কোর্স ফাইন আর্টস (চারু ও কারুকলা) এবং আইসিটি কোর্স চলমান রয়েছে। নতুন এমপিও নীতিমালা ২০২১ অনুযায়ী প্রতিটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ফাইন আর্টস (চারু ও কারুকলা) বিষয়ে শিক্ষা নিয়োগ প্রদান করা হবে। তাই শিক্ষার্থী বৃন্ধ এক বছর মেয়াদী কোর্সদুইটি সম্পর্ণকরে সহকারী শিক্ষক (চারু ও কারুকলা) এবং আইসিটি তে শিক্ষক হতে পারবেন ।
যে শিক্ষায় শিক্ষার্থী তার বাস্তব জীবনে ব্যবহার করে কোন একটি নির্দিষ্ট পেশায় নিযুক্ত হতে পারে তাই কারিগরি শিক্ষা। কারিগরি শিক্ষা গ্রহণের পর শিক্ষার্থীকে বা ব্যক্তিকে পেশা নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা করতে হয় না। সে নিজেই অর্জিত শিক্ষার সাথে মিল রেখে স্বাধীনভাবে পেশা খুঁজে নিতে পারে। দক্ষতাই উন্নয়ন-এ কথাটি কারিগরি শিক্ষার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। এ শিক্ষার প্রধান সাফল্য ব্যবহারিক ক্ষেত্রে এর প্রয়োগ। এর উদ্দেশ্য শিক্ষার্থী বা ব্যক্তিকে পরবর্তী জীবনে নির্দিষ্ট কোন কারিগরি বিষয়ে দক্ষ করে তোলা, নিজ নিজ উদ্যোগে স্থানীয় ছোট ছোট শিল্পের প্রসার ঘটানো, স্বাধীনভাবে পছন্দ অনুযায়ী বৃত্তি নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের প্রাকৃতিক ও মানব সম্পদকে প্রকৃষ্টভাবে কাজে লাগিয়ে কর্মীর হাতে পরিণত করা। বাংলাদেশে কারিগরী শিক্ষার প্রসারে ১৯৬০ সালে কারিগরী শিক্ষা অধিদপ্তর গঠন করা হয়। কারিগরী শিক্ষাকে যুগোপযোগী করার জন্য ১৯৬৭ সালে কারিগরী শিক্ষাবোর্ড গঠন করা হয়। বাংলাদেশে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মান প্রণয়ন, নিয়ন্ত্রণ, মূল্যায়ন ও উন্নয়নের সার্বিক দায়িত্ববাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের উপর ন্যস্ত। এক বছর মেয়াদী শিক্ষাক্রম ২ দুইটি পর্বে বিভক্ত, যাদের সেমিষ্টার বলা হয়। একটি সেমিষ্টারের কার্য দিবস ২৪-২৫ সপ্তাহ। আমরা সবাই একমত কারিগরি শিক্ষাই সমৃদ্ধির পথ।
মোঃ হুমায়ুন কবীর
পরিচালক
ফিউচার প্রফেশনাল ফাইন আর্টস ইন্সটিটিউট,